বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৩০ অপরাহ্ন
অনুসন্ধান ২৪ >>ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া মুক্ত দিবস উপলক্ষে শুক্রবার সকালে বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়। এসব কর্মসূচির মধ্যে ছিলো পুষ্পস্তবক অর্পণ, শোভাযাত্রা, জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং আলোচনা সভা।শহিদদের স্মরণে মোমবাতি জ্বালিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় পৌর মুক্ত মঞ্চে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর কবল থেকে আখাউড়া মুক্ত হয়। গত কয়েক বছর ধরে দিবসটি সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে পালিত হয়ে আসছে। প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ছাড়াও শুক্রবার উপজেলা প্রশাসন এবং মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমাণ্ডের উদ্যোগে পুষ্পস্তবক অর্পণ, শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও পতাকা উত্তোলনের আয়োজন করা হয়।
সকাল সাড়ে ৯টায় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে কর্মসূচির শুরু হয়। পরে উপজেলা পরিষদ থেকে শোভাযাত্রা শুরু হয়ে পোস্ট অফিসের সামনে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে জাতীয় সংগীতের সুরে পতাকা উত্তোলন করা হয়। উপজেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা, বিএনপি, জামায়াত, সাংবাদিক, শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ এতে অংশ নেয়। ১৯৭১ সালের এই দিনে পোস্ট অফিসের সামনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছিলো।
মুক্তিযোদ্ধা সন্তান মো. জালাল হোসেন মামুনের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য দেন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের প্রধান উপদেষ্টা দীপংকর ঘোষ নয়ন। অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন থেকে তেলাওয়াত ও গীতা থেকে পাঠ করা হয়।
মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন খানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) গাজালা পারভীন রুহি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. সজিব মিয়া, আখাউড়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জয়নাল আবেদীন আব্দু, আখাউড়া থানার ওসি মো. ছমিউদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার সৈয়দ জমশেদ শাহ, বীর মুক্তিযোদ্ধা বাহার মালদার, প্রেস ক্লাব সভাপতি মো. মানিক মিয়া, জামায়াত ইসলামের আমীর মো. ইকবাল হোসেন, মোগড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ডা. এনামুল হক মামুন।